চলচ্চিত্র Wiki
Advertisement

আশির দশক ছিল ব্রায়ান ডি পালমার জন্য স্বর্ণালী সময়। ১৯৮০-র ড্রেসড টু কিল থেকে শুরু করে ১৯৮৯-এর ক্যাজুয়ালটিস অফ ওয়ার পর্যন্ত একের পর এক অসাধারণ সব সিনেমা বানিয়েছেন। ব্লো আউট সে যুগেরই সিনেমা, তাই বলার অপেক্ষা রাখে না কতোটা থ্রিলিং হবে। ব্লো আউটে সিনেমার মুখ্য বিষয় সিনেমার নির্মাণ কৌশল।

রজার ইবার্টের রিভিউয়ের অনুবাদ[]

ব্লো আউট অনেক সময়ই টুইলাইট জোনে বন্দী আমেরিকার সমসাময়িক ইতিহাসের সাক্ষ্য হয়ে উঠে। ঘটনাগুলো ভংয়কর রকম পরিচিত কিন্তু তারপরও যেন ঠিক সরল নয়। সাম্প্রতিক আমেরিকার অনেকগুলো ঘটনা বা ঘটনার বিকল্প ব্যাখ্যাকেই ব্লো আউটের অনুপ্রেরণা হিসেবে উল্লেখ করা যায়:

  1. ডালাস পুলিশের রেডিও থেকে পাওয়া "গ্রাসি নোল" রেকর্ডিং কে চ্যাপাকুইডিক ঘটনার সাথে মিলিয়ে ওয়াটারগেটের সাথে যুক্ত করা হলে কেমন হতো?
  2. জ্যাক রুবি যদি ডিভোর্স কেসে পারদর্শী আইনজীবী হতো?
  3. আব্রাহাম জাপরুডার, যে প্রেসিডেন্ট কেনেডির মৃত্যুর ঘরোয়া দৃশ্যগুলো ধারণ করেছিল, যদি সাউন্ড এফেক্টে পারদর্শী হতো?
  4. আর কেমন হতো যদি জুডিথ এক্সনার কাজ করতো রুবির সাথে?

ব্লো আউট এসব কন্সপাইরেসি থিওরির থেকে অনুপ্রাণিত হওয়ার পাশাপাশি ডিপালমার চিরাচরিত অভ্যাসও প্রদর্শন করেছে- অন্য মুভির সাথে ক্রস-রেফারেন্স করা। অন্য সিনেমা, পরিচালকের কাজ বা ঐতিহাসিক ঘটনার প্রতি ইঙ্গিত করতে ডি পালমার জুড়ি নেই। এই সবকিছু করার পরও ব্লো আউট তার সবচেয়ে মৌলিক কাজে পরিণত হয়েছে।

সিনেমার নামই আমাদেরকে সরাসরি মিকেলাঞ্জেলো আন্তোনিওনির ব্লো-আপ সিনেমাটির কথা মনে করিয়ে দেয়। ব্লো-আপে একজন আলোকচিত্রশিল্পী তার ছবিতে একটি খুনের দৃশ্য ধারণ করে ফেলে বা মনে করে যে সে ধারণ করেছে। এরপর সেই খুনের তদন্ত করতে পাগলপাড়া হয় সে। তার ছবির সেই ঝাপসা নেগেটিভে কি সত্যিই কোন লাশ ছিল? অথবা আমরা যা দেখছিলাম বা ফটোগ্রাফার যা দেখছিল তার কোন কিছুতে কি আসলে বাস্তবতার ছোঁয়া ছিল? ব্লো আউটে জন ট্রাভোল্টার চরিত্র (জ্যাক টেরি) এই প্রশ্নগুলোর মুখোমুখি হয়। বিষয়শ্রেণী:১৯৮১ বিষয়শ্রেণী:মনস্তাত্ত্বিক থ্রিলার বিষয়শ্রেণী:সাইকো বিষয়শ্রেণী:ইংরেজি বিষয়শ্রেণী:ব্রায়ান ডি পালমা

Advertisement